ঢাকায় ঈদ উদযাপনে ঢাল দিয়ে নিরাপত্তা, ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর ঘোষণা
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপনের জন্য ঢাকায় সমন্বিত, সুদৃঢ় ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টায় রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
কমিশনার জানালেন, জাতীয় ঈদগাহের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর ঢাকায় ১১৮টি ঈদগাহ ও ১৬২১টি মসজিদে মোট ১৭৩৯টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এসব স্থানে নিরাপত্তার জন্য ডিএমপি একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। জাতীয় ঈদগাহ মাঠ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে এবং পর্যাপ্ত ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকধারী পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া ঈদগাহ মাঠ ও আশপাশের এলাকা সুইপিং করা হবে।
নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের জন্য ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সোয়াট ও ক্যানাইন ইউনিট সর্বদা প্রস্তুত থাকবে। ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশের প্রধান তিনটি রাস্তার প্রবেশ মুখে (মৎস্য ভবন ক্রসিং, প্রেস ক্লাব সামনে ও হাইকোর্ট ক্রসিং) ব্যারিকেড ও তল্লাশি থাকবে। মুসল্লিদের মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে ও ম্যানুয়ালি তল্লাশি করা হবে। নারীদের জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা থাকবে।
ডিএমপি কমিশনার নগরবাসীকে অনুরোধ করেন, ঈদ জামাতে কোনো ধরনের ব্যাগ, ধারালো বস্তু বা দাহ্য পদার্থ সঙ্গে আনবেন না। জামাত শেষে দ্রুত না তাড়াহুড়ো করে সুশৃঙ্খলভাবে বের হয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা মেনে চলবেন। সন্দেহজনক কিছু দেখলে নিকটস্থ থানা বা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ জানাতে হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবারের ঈদকে কেন্দ্র করে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সরওয়ার জানান, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের আশপাশে চারটি স্থানে সকাল ৬টা থেকে ঈদের নামাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত যান চলাচলের ডাইভারশন ও রোড ব্লক থাকবে।
এ সময় ডিএমপির অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন