থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে ফোনালাপ ফাঁসের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে ফোনালাপ ফাঁসের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত

থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত মঙ্গলবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত এসেছে কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের সঙ্গে ফাঁস হওয়া একটি ফোনালাপের কারণে। খবর সিএনএন এবং বিবিসির।

ফাঁস হওয়া অডিওতে পেতংতার্ন হুন সেনকে ‘চাচা’ বলে সম্বোধন করেন এবং একজন থাই সামরিক কর্মকর্তার সমালোচনা করেন। এ ঘটনার পর দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং তাঁর বরখাস্তের দাবিতে আবেদন করা হয়, যা এখন আদালতে চলছে।

সাংবিধানিক আদালত ৭-২ ভোটে পেতংতার্নকে সাময়িক বরখাস্ত করে এবং নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করার জন্য ১৫ দিন সময় দেয়। এর মধ্যে ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন উপ-প্রধানমন্ত্রী সুরিয়া জুংরুনগ্রুয়াংকিত।

৩৮ বছর বয়সী পেতংতার্ন থাইল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী এবং দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার রক্ষণশীল মিত্রদের সরে দাঁড়ানোর পর পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর মুখে পড়েছে। পাশাপাশি তাঁর জনপ্রিয়তাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।

পেতংতার্ন ফোনালাপ ফাঁস নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে দাবি করেন এটি সীমান্ত বিরোধ আলোচনার একটি কৌশল ছিল। তবে রক্ষণশীলরা তাঁকে কম্বোডিয়ার কাছে মাথানত এবং সামরিক বাহিনীকে অপমান করার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে।

এদিকে, একই দিনে পেতংতার্নের বাবা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার বিরুদ্ধে রাজতন্ত্র অবমাননার মামলার বিচার শুরু হয়েছে। থাকসিন ১৫ বছর নির্বাসনের পর ২০২৩ সালে দেশে ফিরে বিতর্কিত মামলায় জড়িয়ে পড়েছেন। থাইল্যান্ডে সিনাওয়াত্রা পরিবার এবং সামরিক-রাজতান্ত্রিক গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব চলমান।